ভোলা সদর উপজেলার ৫ নং বাপ্তা ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ রিয়াজ ইসলাম মারুফ নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার ১৬ জুন ভোর আনুমানিক পাঁচটার দিকে নিজ ঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই এলাকার মোহাম্মদ আব্বাস ও জেসমিন বেগমের ছেলে একমাত্র ছেলে, পরিবারের সূত্রে যানা যায় প্রায় এগারো মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের পর মুন্নি নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন মারুফ বর্তমানে তার স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার কথা ছিল মারুফের। ঈদের পর স্ত্রী মুন্নি আক্তার বাবার বাড়িতে চলে জান এবং পরে তাকে স্বামীর কাছে পাঠানো হবে না বলে জানানো হয় এতে মারুক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে দাবি পরিবারের, মারুফের মা জানান আমার কাছে এসে আমার ছেলে সারাদিন এসব বলে কান্নাকাটি করছে যে মুন্নির মা আমার ছেলের কাছে আর দিবে না বলে বিভিন্ন্ ধরনের খারাপ কথা বলেন, এবং মুন্নিকে অন্য জায়গায় আবার বিয়ে দিবেন ও খুব শীগ্রই মুন্নিকে ভোলা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাবে এসব কথা মারুফকে বললে মারুফ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শুধু আমার ছেলে এসব বলে যে মা মুন্নির মায়ের এসব কথা আমার শুনতে ভালো লাগে না। মা এ জন্য আমি মুন্নিদের বাড়িতে ঈদের পরে যাই না, আমার ছেলের আত্মহত্যার পিছনে মুন্নির মা ও মুন্নি দায়ী।
আমার ছেলে গতকালকে সেই বাড়ি থেকে এসে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
আমার দাবি আমি পূর্ণ বিচার চাই আমি সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে এর সঠিক একটি বিচার চাই।
এদিকে মারুফের বাবা আব্বাস উদ্দিন বলেন আমার ছেলের আত্মহত্যার পিছনে আমার ছেলের শাশুড়ি এবং তার স্ত্রী, আমি চাই জনগণের সামনে এর সঠিক বিচারটা হয়। আমি চাই এসব শাশুড়িদের কারণে আর যেন কোন মায়ের ছেলে এভাবে জীবন দিতে না হয়। মহিলাদের জন্য কোন বাবা মা যেন সন্তান হারা না হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান মঙ্গলবার ভোরে ঘরের ভিতরের আড়ার সাথে মারুফ এরে গোলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান তারা। পরে খবর পেয়ে ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মারুফের মরদেহ উদ্ধার করেন
এ বিষয়ে ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড