আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ভোলার মেয়ে হুনফা হত্যা মামলায় স্বামী ফজলুল হকের মৃত্যুদন্ড ভোলার পুলিশ লাইন্স এর জন্য ১০ শয্যার এমআই সেন্টার ও মেহমানখানার উদ্বোধন ভোলায় দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ভোলা সরকারি কলেজে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ভোলা সদর উপজেলার নবাগত ইউএনও এর সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভোলায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ৪ ডাকাতকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন চরফ্যাশনে পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা ভাংচুর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ ভোলার রাজাপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ এর চেষ্টা : অভিযোগ ভুক্তভোগীর লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল মেঘনা, ভোলার ৬ অভ্যন্তরীণ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে, মিসরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা টানা বর্ষণে ভোলার হাজারো মানুষ পানিবন্দী, তলিয়েছে ঘরবাড়িসহ সড়ক ও ফসলের মাঠ ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁদার দাবীতে নারী-পুরুষকে হেনস্থার ঘটনায় ৪ জন আটক চরসামাইয়ায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন, ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন ভোলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এনটিভির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভোলার লালমোহনে কলেজছাত্র নয়নকে কুপিয়ে হত্যা, থানায় আত্মসমর্পণ অভিযুক্তের
ad728

ভোলার রাজাপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ এর চেষ্টা : অভিযোগ ভুক্তভোগীর

প্রতিবেদকের তথ্য : Daily Bhola Press
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 11, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 117
ছবির ক্যাপশন : ভোলার রাজাপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ এর চেষ্টা : অভিযোগ ভুক্তভোগীর

বিশেষ প্রতিনিধি : ভোলার সদরের রাজাপুরে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে মারধর এবং স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভিকটিম লাইজু বেগম (৩২)-কে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্তের ধস্তাধস্তিতে ওই গৃহবধূর চোখ, কপাল, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক জখম হয়েছে। এমনকি কামড়ে তার হাত ও আঙুল জখম করার অভিযোগ উঠেছে।


বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ভোলা সদর উপজেলার ১নং রাজাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের তৈয়বাখাতুন স্কুল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আলহাজ্ব মোঃ হোসেন হাওলাদার। তিনি ওই এলাকার হাওলাদার বাড়ীর বাসিন্দা।


ভিকটিম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার সুলতান ঢালি মেয়ে ও আ: রহমান বেপারীর স্ত্রী লাইজু বেগম সকালে স্বামীর বাড়ী থেকে তার বাপের বাড়িতে যান। সেখান থেকে সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির পাশে তাদের ঘেরে যান। এসময় লাইজু বেগম দেখতে পান তাদের ঘের থেকে অভিযুক্ত আলহাজ্ব মোঃ হোসেন হাওলাদার কলার ছড়া পারেন। এসময় লাইজু বেগম তাদের জমি থেকে কোন কলার ছড়া পারেন জিজ্ঞেস করলে হোসেন হাওলাদার তাকে অর্কত্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এসময় হোসেন হাওলাদার লাইজু বেগমকে মুখ চেপে ধরে বাগানের দিকে টানা হেচরা করে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং তিনি বাধা দিলে তাকে মারধর করে। মারধরের একপর্যায়ে লাইজু বেগমের চোখে, কপালে আঘাত করা হয় এবং হাত ও আঙুলে কামড়ে দেওয়া হয়। হামলাকারী ভিকটিমের গায়ের জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং তার কান ও নাকের স্বর্ণের গহনা ও গলার চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। লাইজু বেগম জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে লাইজু বেগমের মা মোরশেদা এবং ভাবি আমেনা বেগম ঘের এলাকায় গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ ফোন দিলে ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বশির আহম্মেদ দ্রুত ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি কলার ছড়া, অভিযুক্তের গামছা, ছাতা, জুতা এবং ভিকটিমের ছেঁড়া ওড়না আলামত হিসেবে উদ্ধার করে। পরে লাইজু বেগমকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


ভিকটিমের ভাই মোঃ মনির হোসেন এবং ভগ্নিপতি আঃ রহমান বলেন, লাইজু বেগম সকালে ঘেরে গিয়ে দেখতে পান হোসেন হাওলাদার তাদের কলা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এসময় লাইজু তাকে বাঁধা দিলে হোসেন হাওলাদার প্রথমে তাকে গালিগালাজ করে ও মারধর করে এবং এক পর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। লাইজু বেগমের হাত, আগুল, কপালে কামড়ের দাগ রয়েছে। এছাড়াও তার চোখে মারাত্মক জখম রয়েছে। “একজন তিন সন্তানের জননীর ওপর এমন বর্বর নির্যাতন এবং ধর্ষণ চেষ্টা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।” তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধী হোসেন হাওলাদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।


অভিযুক্ত আলহাজ্ব হোসেন হাওলাদার বলেন, আমি ঘেরে গিয়ে আমার জমির পিলার ঠিক করতে ছিলাম। এসময় লাইজু বেগম এসে আমাকে গালিগালাজ করে। এ পর্যায়ে এসে আমার গেঞ্জি টেনে ছিড়ে ফেলে আমাকে মারধর করে এবং আমার দাঁড়ি ধরে টান দেয়। আমি আত্মরক্ষার্থে তার আঙ্গুল ও হাতে কামড় এবং তার চোখে আঙ্গুল দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটি সঠিক নয়।


এ বিষয়ে ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বশির আহম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাস্থল থেকে আলামত হিসেবে কলার ছড়া, গামছা, ছাতা, জুতা ও ছেঁড়া ওড়না জব্দ করেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।


ভোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টীম পরিদর্শন করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড
ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728