ভোলা পৌরসভা এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। রাস্তাঘাটে অবাধ বিচরণ ও দলবেঁধে কুকুরের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন পৌরবাসী। বিশেষ করে শিশু, কিশোর এবং বয়স্করা কুকুরের হামলার শিকার হয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করছেন।
এদিকে ভোলা পৌর ১ নং ওয়ার্ডের আবহাওয়া অফিস রোড এলাকায়, কয়েকদিন যাবত একটি পালিত কুকুর পাগল হয়ে গিয়ে বটতলা সড়কের আশপাশে ১ দিনে ১০ জন পথচারীকে কামর দিয়ে গুরুতর যখম করেছে , বর্তমানে ঐ এলাকা সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের জনসাধারণ এই কুকুর আতঙ্কে দিন পার করছেন ।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের জন্য এখন প্রধান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব কুকুর। প্রায়ই পথচারীদের ধাওয়া করছে এবং কামড়ে আহত করছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ যদি এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তবে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা আশা করব পৌর কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টির দিকে নজর দিবেন।
এ বিষয়ে ভোলা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান একটা সময় ভোলা পৌরসভায় বেয়ারিস কুকুর অধিকার হারে বৃদ্ধি পেতেন তখন সেটা পৌরসভার পক্ষ থেকে নিধন করা হতো, বর্তমানে কোন নিধন করা হচ্ছে না। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় নির্দেশে জেলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে এসব বেওয়ারিশ কুকুরগুলোকে ভ্যাকসিনেশন করা হতো বর্তমানে ভ্যাক্সিনেশন প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে পাগলা, বেওয়ারিশ কুকুরগুলো বেড়ে গেছে সেক্ষেত্রে আমাদের কাছে এসব কুকুর গুলোকে নিধন করার জন্য সরকারের কোন অনুমতি নেই। হাইকোর্ট একটা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন সারা বাংলাদেশে বর্তমান নিধন প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছেন। এখন শুধু ভ্যাক্সিনেশন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, তবে সেটার কার্যক্রম কতটুক চলমান আছে সেটা প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলতে পারবে।